স্টুডেন্ট হ্যাকস
📗বুক রিভিউ :০১ 👇 বইয়ের নাম: স্টুডেন্ট হ্যাকস লেখক: আয়মান সাদিক , সাদমান সাদিক পড়াশোনা ব্যাপারটা আমাদের সবার কাছেই একটা বিরক্তির নাম। আমরা যেটুকু পড়াশোনা করি তার পুরোটাই কিন্তু পরিবারের চাপে অথবা ভবিষ্যতে একটা ভালো চাকরি পাবার আশায়। আমরা কেউই নতুন কিছু শিখতে পারবো এটা ভেবে পড়াশোনা করি না। এজন্য পড়াশোনাটাও আমাদের কাছে মজা বা আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে না কখনও। এই পড়াশোনাটায় কিভাবে মজায় মজায়,সুহজে এবং কৌশলে করা যায়! একাডেমিক পড়াশোনা ব্যাতিত অন্য বইগুলো আমাদের কি প্রয়োজনে আসবে! রিভিশন দেয়ার কিছু কার্যকর কৌশল,ভালোমত পড়াশুনা করার হ্যাকস,চ্যাটিং হ্যাকস,লক্ষ্য নির্ধারনের S.M.A.R.T কৌশল,বই বনাম পিডিএফঃ কোনটা পড়া উচিত?তুমি মোবাইল ব্যবহার করছো নাকি মোবাইল তোমাকে?সময় ও জীবন ব্যাবস্থাপনার কৌশল ইত্যাদি নানা বিষয় এবং স্টুডেন্ট লাইফে যে কাজগুলো অতীব করণীয় এবং কি কি কাজ বর্জনীয় এমন নানা বিষয়ের উপর অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা আছে বইটিতে। । আশা করছি প্রতিটা স্টুডেন্টের ক্ষেত্রেই পথ প্রদর্শক হিসাবে কাজ করবে আয়মান ও সাদমান এর লেখা ‘স্টুডেন্ট হ্যাকস’ বইটি।
অনলাইনে অনেক উপদেশ শুনেছো, গুরুজনেরা অনেক কিছু বলেছেন কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে পড়াশোনার কোনও অগ্রগতি নেই। আসলে সত্য বলতে কী, তুমি এখনই জানো যে ভালো ফলাফল করতে কী কী করতে হয়। তোমাকে যদি পরীক্ষায় ১০ নম্বরের জন্য 'পরীক্ষায় ভালো করার পদ্ধতি' বিষয়ে প্যারাগ্রাফ কিংবা রচনা লিখতে বলা হয়, তাহলে একদম ঝড় তুলে দিয়ে আসতে পারবে। অথচ নিজের ফলাফলের বেলাতেই যত গড়মিল। দিনশেষে তুমি ঠিকই পড়াশোনার ফন্দি-কৌশল জানো যে, নিয়মিত পড়তে হবে, নোট করতে হবে, বুঝে পড়তে হবে… কিন্তু, নিজে জানলেও ফলাফল কেন খারাপ হচ্ছে কিংবা পড়তে ভালো লাগে না কেন? কারণ, হয়তো তোমার কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্য নেই অথবা কোনও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। অথবা, তুমি সবই জানো তবে কিছু কিছু মেথড তোমার ভুল। এবং এই ব্যাপারগুলোই ধরে ধরে ঠিক করার জন্য এই বইটি।
স্টুডেন্ট হ্যাকস : তুমুল প্রতিযােগিতামূলক এই সময়ে তথাকথিত জিপিএ ৫ পাওয়ার ইঁদুর দৌড়ে ফেঁসে গিয়ে আমরা অনেক সময় শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্যই হারিয়ে ফেলি। তাছাড়া আবার জীবনের সাথে মিল নেই এমন বিষয়ের ওপর চ্যাপ্টারের পর চ্যাপ্টার পড়তে পড়তে অনেকের পড়াশােনার ওপর থেকে ভরসাই উঠে যায়। পড়াশােনার পুরাে ব্যবস্থার প্রতি জন্মায় রাগ, ক্ষোভ, অভিমান আর বিরক্তি | দিনশেষে এই নেতিবাচকতাগুলাের প্রভাব পড়ে আমাদের সহজাত কৌতুহলের ওপর | হারিয়ে যায় শেখার আগ্রহ আর জানার স্পৃহা।
পড়ার চাপে জীবন ধ্বংস? আশা হারিয়ে ফেলেছো সমস্ত কিছু থেকে? প্যারা খাচ্ছো খুব? বিরক্ত লাগে প্রচুর? লাইফ নিয়ে ফেডআপ? ফ্রাস্টেটেড? ক্লান্ত? বিষন্ন? ন্যুব্জ আর কিংকর্তব্যবিমুঢ়? সঠিক দিক নির্দেশনা পাচ্ছো না? তাহলে কঙ্গরেচ্যুলেশন! সঠিক পথেই চলে এসেছো তুমি! এই বইটা তোমার জন্যই লেখা হয়েছে!। ☺ যা পাবে তুমি এই বইটিতে : ১. আয়মান ভাইয়া এবং সাদমান ভাইয়ার স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটি লাইফের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা কিছু ট্রিক্স।যা জেনে তুমি হয়ে যেতে পারো আগের থেকে অনেক বেশী বেটার। জীবনটাও হয়ে যেতে পারে খুব সহজ। আর জঘন্য পড়ালেখাটাও হয়ে যেতে পারে অনেক পছন্দের কিছু একটা। ২. পড়ালেখা করার নতুন নতুন ট্রিক্স। ৩.কিছু মজাদার অনুশীলনী। যা বইটি পড়ে তোমাকে অনুশীলন করতে হবে। ট্রাস্ট মি, এটা সবচেয়ে বেশী মজার। ৪.কিছু ডিজিটাল হ্যাকস। ৫.সময় পরিকল্পনা । ৬. বই দাগিয়ে পড়ার কৌশল। ৭. প্রতিটি চ্যাপ্টারে ভাইয়াদের লেখার পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন মনিষীদের অনুপ্রেরণাদায়ক বাণী। ৮. ভর্তি পরীক্ষার সাতকাহন। ৯. পরীক্ষার হলে ভালো করার কলা কৌশল। ১০. কম লিখেও খাতা ভর্তি করে ফেলার অসাধারণ কিছু ট্রিক্স। ১১. ইকিগাই পদ্ধতি। এটা বেশ চমৎকার। ১২. তোমার প্রতিদিনের কাজ কর্মের হিসেব নিকেষ রাখার চমৎকার কিছু আউডিয়া। ১৩. চ্যাটিং হ্যাকস। ১৪. চ্যাটিং করে ইংরেজী শেখার হ্যাকস। ১৫. প্রেজেন্টেশনের খুঁটিনাটি। ১৬. মঞ্চভীতি দূরীকরণের দাওয়াই। ১৭.হেলথ হ্যাকস। ১৮.সিভি কথন। ১৯.স্বপ্ন পূরণের দিকনির্দেশনা ২০. জীবনের লক্ষ্য ২১. এগারো জন রাইটারের শিক্ষামূলক লেখার অংশবিশেষ। ২২. নিজের ভবিষ্যতের জন্য চিঠি - এটা বেস্ট মনে হয়েছে আমার কাছে। ২৩. বোনাস টিপস। এসব ছাড়াও আরও নানান রকম মজাদার সব কন্টেন্ট দিয়ে ভরপুর এই বইটি। বইটি পড়ে আমার অনুভূতি : বইটা সত্যি সত্যিই খুব চমৎকার। আমার কাছে তো ভীষণ ভালো লেগেছে। অন্যান্য বইগুলোর তুলনায় এই বইটার উপস্থাপনার ধরণ বেশ ডিফ্রেন্ট। এটা সবচেয়ে বেশী আকর্ষনীয় মনে হয়েছে আমার কাছে। কেনো যেনো মনে হচ্ছে এই বইটা হয়তো অনেকগুলো মানুষের জীবন বদলে দেবে একদম চিরতরে। আমি আশাবাদী। ভালো লাগা কিছু লাইন : ১. গাছে দুই পাখি থাকার চেয়ে হাতে এক পাখি থাকা ভালো। ২. নিজেকে জানো। নিজের মনকে যত ভালোভাবে বুঝতে পারবে, তত সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। নিজে থেকে অনুপ্রেরণা আনতে হলে সেজন্যই সবার আগে নিজেকে জানতে হবে। ৩. ঘন্টার হিসেব হোক কিংবা চ্যাপারের হিসাব! দিনশেষে প্রকৃতপক্ষে কী শিখছো, তাই আসল বিষয়।ফাঁকি মারলে নিজের গর্তে কিন্তু নিজেকেই পড়তে হবে। ৪. ডিজিটাল হওয়া মানেই আধুনিক হওয়া নয়। সনাতন পদ্ধতিতে পড়া মানেই কুয়োর ব্যাঙ নয়। প্রতিটা মানুষ ভিন্ন এবং তাদের প্রয়োজন ভিন্ন। তুমি তোমার প্রয়োজন বুঝে পদ্ধতি নির্বাচন করবে। ৫. মানব মন যা কিছু চিন্তা করতে পারে, বিশ্বাস করতে পারে, তা সে অর্জন করতে পারে। - নেপোলিয়ান হিল। ৬. বিজয়ীরা ভিন্ন কাজ করে না।তারা ভিন্নভাবে কাজ করে মাত্র। - শিভ খেরা। ৭. কৌতুহলের চেয়ে বড় কোনো বিদ্যাপীঠ নেই! ৮. উপভোগ করো, এমন কাজ খুঁজে বের করলে জীবনে আর কোনদিন তোমাকে চাকরি বলে কিছু করতে হবে না। - মার্ক টোয়েন। ৯. বড় হয়ে ওই মানুষটি হওয়ার চেষ্টা করো, যেই মানুষটিকে ছোটবেলায় তোমার দরকার ছিল! ( এটা বেস্ট 💜) ১০. স্বপ্ন সেটা নয় যা তুমি ঘুমিয়ে দেখো, স্বপ্ন হলো সেটা যা তোমাকে ঘুমাতে দেয় না। - এ.পি.জে আব্দুল কালাম। #বইবাজার_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_মার্চ_২০১৯
#বইবাজার_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_মার্চ_২০১৯ বই:স্টুডেন্ট হ্যাকস লেখক:আয়মান সাদিক|সাদমান সাদিক "স্টুডেন্ড হ্যাকস" বইটির নাম শুনেই বুঝা যায় এটা ছাত্র-ছাত্রীদের ছাত্রজীবনের অজানা বিষয় এবং নানা বিষয়ের করণীয় গুলাকে হ্যাকসের মাধ্যমে উপস্হাপন করা হয়েছে।আসলে ঠিক তাই এই বইটিতে ছাত্রজীবনে ছাত্র-ছাত্রীদের করণীয় বিষয়গুলো হাতে কলমে সহজ সাবলীল ভাবে উপস্হাপন করা হয়েছে।বইটির উপস্হাপন ভঙ্গি এবং লেখনি এক কথায় তুলনারহিত। বর্তমান সময়ের লেখাপড়া সম্পূর্ণ পরীক্ষা নির্ভর। একটা পরীক্ষা দিতে না দিতেই আরেকটি পরীক্ষার প্রস্তূতি নেওয়া শুরু করতে হয়।অর্থাৎ পরীক্ষার পর পরীক্ষা।আর আমরাও এই পরীক্ষা দিতে দিতে একদম ক্লান্ত হয়ে পরি।কিন্তু আমরা জানি না কিভাবে এতোসব পরীক্ষা দিয়েও ভালো ফলাফল এবং নিজেকে সচেতন রাখতে পারি।আর এতসব বিষয় নিয়েই "স্টুডেন্ড হ্যাকস"বইতে লেখকদ্বয় খুব সাবলীল ভাষায় এবং সময় উপযোগী মনোভাব নিয়ে এই বইতে লেখা হয়েছে। লেখকদ্বয় প্রথমেই লিখেছে বইটি কাদের জন্য?আসলেই বইটি কাদের।বইটির নাম দেখেই বুঝা যায় এটা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য।কিন্তু এখানের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যের আবার কাদের জন্য।তারা লিখেছেন যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ার চাপে-নুইয়ে পরা,আশা হারিয়ে ফেলা,প্যারা খাওয়া,বিরক্ত,কিংকর্তব্যবিমুঢ়,ফেডআপ,ফ্রাস্ট্রেটেড,ক্লান্ত,ন্যুব্জ,দিকনির্দেশাবিহীন এদের জন্যই এই বইটি।আর আপনি যদি এগুলার মধ্যের যেকোনো একটিরও হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্যই এই বইটি।আপনার অবশ্যই এই বইটি পড়ে দেখা দরকার। বইটিকে সাজানো হয়েছে প্রধান ৫ টি শিরোনামে।এগুলো হলো:কী আছে এই বইয়ে,পরীক্ষার আগে,পরীক্ষার সময়,পরীক্ষার পরে,পরীক্ষার বাইরে।আবার "কি আছে এই বইয়ে"এই শিরোনামের লেখাকে ৪ টি পয়েন্টে, "পরীক্ষার আগে"এই শিরোনামের লেখাকে ৮ টি পয়েন্টে, "পরীক্ষার সময় "শিরোনামের লেখাকে ১২ টি পয়েন্টে,"পরীক্ষার পরে" শিরোনামের লেখাকে ২ টি পয়েন্টে এবং "পরীক্ষার বাইরে" শিরোনামের লেখাকে ২৬ টি পয়েন্টে লেখা হয়েছে।এসকল পয়েন্টের লেখাগুলা একজন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সচেতন এবং ফলাফল পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা যেমন এখনকার সময়ে বেশি বেশি পরীক্ষা দিই ঠিক তেমনি আমাদের অনেক বেশি পড়তেও হয়।কিন্তু আমরা এতো বেশি পড়ার জন্য কখনো প্রস্তূতও থাকি না।তাই আমরা সকলেই চাই ঠিক কিভাবে সহজ ও সময় উপযোগী কৌশল নিয়ে খুব বেশি পড়াকে সহজ ভাবে পড়তে পারি।আর এই বইয়ে সে সকল অভিনব কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।তাই এই বইটি পড়ে একজন পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীও অনেক উন্নতি করতে পারবে। মূলত এই বইটির লেখনি পরীক্ষার পূর্বে, সময় এবং পরে বেশি কাজে লাগবে।আমরা আসলেই পরীক্ষাকে অনেক ভয় পাই।পরীক্ষার সময় কি করবো বা কি করবো না এ সব দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভুগি।কিন্তু এই বইটির লেখনি দ্বারা যেকোনো শিক্ষার্থীই পরীক্ষার সময়ে এসকল দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভুগবে না আরোও একজন শিক্ষার্থী আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরীক্ষার হলে যাবে। পরিশেষে বইটির লেখনি এবং উপস্থাপন এক কথায় অসাধারণ। বর্তমান সময়ের প্রত্যেকে শিক্ষার্থীকেই এই বইটি পড়ে দেখা উচিত।একজন আত্মবিশ্বাসী শিক্ষার্থী গঠনে এই বইটি গুরুত্বপূর্ণ। বইটির মাধ্যমে প্রত্যেকেরই অনেক কিছু জানার আছে।তাই প্রত্যেকেই বইটি একবার হলেও পড়ে দেখবেন।
আমাদের জীবনে কখনো কেউ শেখায় নি কিভাবে পড়ালেখা করতে হয়! সবাই পড়ালেখা করতে বলে কিন্তু কিভাবে করতে হয় সেটা কেউ বলে না। এই বই তোমাকে শেখাবে কিভাবে পড়ালেখা করতে হয়। 😁 এছাড়াও আরো শিখতে ও জানতে পারবে হেলথ হ্যাক, লাইফ হ্যাক, এক্সাম হ্যাক, কিছু ট্রিক, টিপস। বইটি চারটি ভাগে লিখা হয়েছে। পরীক্ষার আগে, পরীক্ষার সময়, পরীক্ষার পরে, পরীক্ষার বাইরে এভাবে বইটিকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছে। 😀 ✴️বইটি পড়লে তুমি নিজেকে খানিকটা উন্নত করতে পারবে।বইটিতে যেসব হ্যাকস আছে সেগুলো অনুসরণ করলে তুমি নিজেও বুঝতে পারবে তোমার পূর্বের অবস্থান কোথায় ছিল আর এখন কি অবস্থা। বইটিতে অনেক ছোট ছোট টাস্ক দেয়া আছে, যেগুলো পূরণ করে তুমি খুব সহজেই নিজের অবস্থান চিহ্নিত করতে পারবে। তোমায় ডেভলপ করতে হলে কি করতে হবে তুমি নিজেই বুঝে যাবে। 😁 ✴️বইটির যে লাইনগুলো আমার খুব ভালো লেগেছে: ⏩অর্থাৎ প্রস্তুতি যদি প্রয়োজনের চেয়ে দ্বিগুন হয় বা তিনগুন নেয়া হয় তাহলে দিনশেষে যদি অর্ধেক বা এক তৃতীয়াংশ মনে থাকে তাহলে শতভাগ প্রস্তুতিটুকু নেয়া হবে ⏩গদ্য উপন্যাস এর চরিত্র মনে রাখতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়। এই চরিত্রগুলো যদি আমাদের আশেপাশের মানুষদের সাথে তুলনা করে মনে রাখি তাহলে কিন্তু সহজে ভুলবে না। ⏩সময় নিয়ে পরিকল্পনা থাকা ভালো। কিন্তু তার চেয়েও বেশি দরকার নিজের শারীরিক ও মানসিক শক্তি নিয়ে পরিকল্পনা। ⏩পরীক্ষা ঠিক কতটা কঠিন সেটা না ভেবে ঠিকমতো প্রস্তুতি নেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। ⏩প্রশ্নের উত্তর করতে ট্রিক গুলো একজন শিক্ষার্থীকে বেশি নম্বর পেতে অনেকে হেল্প করবে ⏩ঝোপে লুকিয়ে থাকা দুটো খরগোশের চেয়ে হাতে থাকা একটি খরগোশ ভালো ⏩পরীক্ষা শুরুর প্রথমদিকে উত্তর করো সেসব প্রশ্নের যেগুলো তুমি সবথেকে ভালো জানো। এতে তোমার পরীক্ষাটাও ভালো হবে। ⏩মানুষের জন্যই রুটিন; রুটিনের জন্য মানুষ নয় ⏩সবচেয়ে ভালো লাগা কথা: "ডিজিটাল হওয়া মানেই আধুনিক হওয়া নয়। সনাতন পদ্ধতিতে পড়া মানেই কুয়োর ব্যাঙ নয়। প্রতিটা মানুষ ভিন্ন এবং তাদের প্রয়োজন ভিন্ন। তুমি তোমার প্রয়োজন বুঝে পদ্ধতি নির্বাচন করবে। 😊 এরকমভাবে বইটিতে অসংখ্য ভালোলাগা কথা বলা আছে।" 😃 ✴️যেসব উক্তি আমাকে উৎসাহ, অনুপ্রেয়না জাগিয়েছে: ➡️"কোন জায়গায় সবচেয়ে মেধাবী মানুষ না হওয়ার অজুহাত থাকতেই পারে কিন্তু, সেই জায়গায় সবচেয়ে পরিশ্রমী মানুষটি না হওয়ার কোনো অজুহাত থাকতে পারে না।" -গ্যারি ভেইনারচাক ➡️"যুদ্ধের জয়, লড়াইয়ের আগেই নির্ধারিত হয়ে যায়।" -সান জু ➡️"If you can't explain it simply, you don't understand it well enough." -Albert Einstein ➡️"গাছে দুই পাখি থাকার চেয়ে হাতে এক পাখি থাকাই ভালো।" ➡️"প্রতিদিনের রুটিনের মধ্যেই পুরো জীবনের সাফল্য লুকিয়ে থাকে।" -জন সি. ম্যাক্সওয়েল ➡️"আগে দর্শনধারী; তারপর গুনবিচারী!" ➡️"উপভোগ করো, এমন কাজ খুঁজে বের করলে জীবনে আর কোনদিন তোমাকে চাকরি বলে কিছু করতে হবে না।" -মার্ক টোয়েইল ➡️"সবচেয়ে ভালো লাগা উক্তি: স্বপ্ন সেটা নয় যা তুমি ঘুমিয়ে দেখো, স্বপ্ন হলে সেটা যা তোমাকে ঘুমাতে দেয় না।" - এ. পি. জে আব্দুল কালাম সবথেকে আকর্ষণীয় বিষয়টি হলো নিজের ভবিষ্যতের জন্য চিঠি লিখে রাখা। অর্থাৎ আজকে চিঠি লিখে 2/5/10 বছর পর পর চিঠিটি পড়লে যে কি অবাক হবে তা সময় বলে দিবে। এছাড়াও নিজের লাইফ সেট করার জন্য SMART পদ্ধতিতে সেট করে নিতে পারো খুব সহজে। 😁 সবশেষ বইটি পড়ে আমি অনেক উপকৃত হয়েছি, আমার ঘাটতি গুলো খুঁজে পেয়েছি সময় এখন কাজে লাগানোর। শুভ কামনা সবার জন্য। #বইবাজার_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_মার্চ_২০১৯।