বাংলা সাহিত্যে গল্পের জায়গা বিশেষভাবে চিহ্নিত। বিংশ শতকের যুগ হয়ে বাংলা গল্পসাহিত্য প্রবেশ করেছে একবিংশ শতকের শীর্ষ চ‚ড়ার দিকে। এই যাত্রায় যুক্ত হয়েছেন মঈনুল হাসান। তিনি গল্পের শরীরে শাশ্বত বাংলার ধ্রুপদী আঁকেন শব্দ আর বাক্যের সমাহারে। ‘শরফুন ও এক শহরের বৃত্তান্ত’ তার চতুর্থ গল্পের বই। বইটিতে নয়টি গল্প স্থান পেয়েছে। এমনিতে কম লেখেন মঈনুল হাসান। কিন্তু যখন গল্প লেখেন, সেই গল্পের মানচিত্র জুড়ে গভীর খননের কারুযজ্ঞ পাঠকদের পরম তৃপ্তি দেয়। একজন ধীমান গল্পকার পাঠকদের যেমন ডুবাতে পারেন, তেমন সাঁতারও কাটাতে পারেন স্রোতের করাতে। মঈনুল হাসানের গল্প আমাদের কাটে, আমরা রক্তাক্ত হই, আমরা অতলে ডুবে যাই আবার ¯্রােতের উজানে সাঁতারও কাটতে পারি।
তার গল্প আমাদের নতুন করে শেখায়, দেখায় এবং জানায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি অনুপ্রাণিত যে, মরা কটালের সময়ে মঈনুল হাসানের মতো স্বনিষ্ঠ মেধাবী, মনোযোগী কথাকারের আবির্ভাব ঘটেছে আমাদের সাহিত্যে।; নিশ্চয়ই আরও নতুন নতুন গল্পের আখ্যানে দিক-দিগন্ত ভরে দেবেন তিনি। মনি হায়দার কথাসাহিত্যিক