

হুজুরের বউ
হুজুরের বউ বইটি সময়োপযোগী। বইটি অসাধারন লেখনী মাধ্যমে বুঝানো হয়েছে। ইটি বর্তমান সময়ের সমাজের কিছু বাস্তবতাকে ছোট্র ছোট্রগল্পের আকারে উপস্থাপন করেছেন সম্মানিতা লেখিকা। যা প্রতিটি মুসলিম নারীকে উৎসাহিত করবে হুজুর স্বামির প্রতি, খুবি ভালো লেগেছে আমার এই দিক যে, প্রতিটি গল্পই যেন বাস্তবতার সাথে মিলে গেছে। এই বইটি বর্তমান সময়ের সকল আধুনিক মেয়েদেরই পড়া উচিত। হুজুরের বউ??? হুজুরের বউরা কি ভিন্ন গ্রহের মানুষ নাকি?? নাহ তারা আর পাচটা মানুষের মতোই , তবে চলার ধরন থাকে ভীন্নতা। তারা সম-অধিকারীদের মতো পশ্চিমা তালে চলা ফেরা করতে জানে না, তবে তাদের জীবনি গুলো থেকে শিক্ষা নিতে জানে, তারা চলে নবী পরিবারের নিকশে কদমে। পশ্চিমাদের কলুষিত জীবন ব্যবস্থাকে এড়িয়ে খোদা প্রেমের পথ অনুসরন করতে চায় আর সে ভাবেই স্বর্গ সুখের বন্যায় নিজ সংসার তিরী ভাসায়। তাই তো তারা হুজুরের বউ, অন্যথায় তাদেরকে অন্য কোন নামে ডাকতো সবাই। সত্যিই অসাধারন সময়ের উপযোগি একটি বই এই সমাজের জন্য।
বিশৃঙ্খল এই শহরে নারী অাজ বিচিত্র ভূমিকায় পণ্য। কেউ ব্যবহার করছে বিজ্ঞাপনে, কেউ বা স্টেজে হাটিয়ে, অাবার কেউ বা নারী শরীর প্রদর্শনী বানিজ্যে রয়েছে মতোয়ারা। এমনি নাজুক সমাজে বাস করে হাজারো অশ্লীলতার ভীড়ে যেসব নারীগন নিজেকে চিনতে পারবে সেই তো খোদাভীরু পবিত্র। কেন নারী সৃষ্ট এ ধরায়? পৃথিবীর শুরু লঘ্ন থেকে অাজ অব্দি কারা দিয়েছে নারীর ন্যায্য অধিকার? প্রচলিত কূ-মতলবী নারীবাদীরা কি কখনো দিয়েছে নারীকে তার ন্যায্য অধিকার? নাকি নারীকে দাবী অাদয়ের নামে রাজপথে নামিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছে তার সর্বস্ব? নারীবাদীরা সম-অধিকারের মুল্যহীন নেশায় চিৎকার করে চলেছে। অথচ ১৪০০ বছর অাগে যখন নারীদেরকে মানুষই মনে করা হতো না তখনই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানব অালোর মশাল হাতে মানবকুলকে জানিয়েছেন নারীর সম্মানের ব্যপারে। মানুষের দ্বারে দ্বারে জানিয়েছেন নারীর অগ্রাধিকারের বিষয়। ইসলাম নারীকে দিয়েছে অগ্রাধিকার। অথচ কূ-রুচির বর্হিঃপ্রকাশে অগ্রাধিকারী নারীদের অাজ অগ্রাধিকারে অ-রুচি। কুরঅান বিহীন সমাজ ব্যবস্থায় পাচ্ছে কি তারা নিজেদের কাঙ্ক্ষিত সম-অধিকার? এমন সমাজের মেয়েরা কতটুকু সুখে অাছে নিজের স্বামী সংসার নিয়ে? পারছে কি তারা সাংসারিক হতে? অস্তিত্ব হারাচ্ছেনা তো তাদের সংসারগুলো? এমনই প্রশ্নগুলোর সাথে অারো অনেক প্রশ্ন সংযোজনের উত্তর মিলবে এই বইটিতে।
ইটি বর্তমান সময়ের সমাজের কিছু বাস্তবতাকে ছোট্র ছোট্রগল্পের আকারে উপস্থাপন করেছেন সম্মানিতা লেখিকা। যা প্রতিটি মুসলিম নারীকে উৎসাহিত করবে হুজুর স্বামির প্রতি, খুবি ভালো লেগেছে আমার এই দিক যে, প্রতিটি গল্পই যেন বাস্তবতার সাথে মিলে গেছে। এই বইটি বর্তমান সময়ের সকল আধুনিক মেয়েদেরই পড়া উচিত। হুজুরের বউ??? হুজুরের বউরা কি ভিন্ন গ্রহের মানুষ নাকি?? নাহ তারা আর পাচটা মানুষের মতোই, তবে চলার ধরন থাকে ভীন্নতা। তারা সম-অধিকারীদের মতো পশ্চিমা তালে চলা ফেরা করতে জানে না, তবে তাদের জীবনি গুলো থেকে শিক্ষা নিতে জানে, তারা চলে নবী পরিবারের নিকশে কদমে। পশ্চিমাদের কলুষিত জীবন ব্যবস্থাকে এড়িয়ে খোদা প্রেমের পথ অনুসরন করতে চায় আর সে ভাবেই স্বর্গ সুখের বন্যায় নিজ সংসার তিরী ভাসায়। তাই তো তারা হুজুরের বউ, অন্যথায় তাদেরকে অন্য কোন নামে ডাকতো সবাই। সত্যিই অসাধারন সময়ের উপযোগি একটি বই এই সমাজের জন্য।
হুজুরের বউ বইটিতে বিশৃঙ্খল এই শহরে নারী আজ বিচিত্র ভূমিকায় পণ্য, কেউ ব্যবহার করছে বিজ্ঞাপনে কেউবা স্টেজে হাটিয়ে, আবার কেউবা নারীর শরীর প্রদর্শনী বাণিজ্যে রয়েছে মাতোয়ারা, এমনি নাজুক সমাজে বাস করে হাজারো অশ্লীলতার ভীড়ে যেসব নারীগণ নিজেকে চিনতে পারবে সেই তো খোদাভীরু; পবিত্র। কেন নারী সৃষ্ট এ ধরায়?… পৃথিবীর শুরু লঘ্ন থেকে আজ অব্দি কারা দিয়েছে নারীর ন্যায্য অধিকার? প্রচলিত কূ-মতলবী নারীবাদীরা কি কখনো দিয়েছে নারীকে তার ন্যায্য অধিকার? নাকি নারীকে দাবী আদায়ের নামে রাজপথে নামিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছে তার সর্বস্ব? নারীবাদীরা সম-অধিকারের মূল্যহীন নেশায় চিৎকার করে চলেছে, অথচ ১৪০০ বছর অাগে যখন নারীদেরকে মানুষই মনে করা হতো না তখনই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানব আলোর মশাল হাতে মানবকূলকে জানিয়েছেন নারীর সম্মানের ব্যপারে। মানুষের দ্বারে দ্বারে জানিয়েছেন নারীর অগ্রাধিকারের বিষয়। ইসলাম নারীকে দিয়েছে অগ্রাধিকার। অথচ কূ-রুচির বর্হিঃপ্রকাশে অগ্রাধিকারী নারীদের অাজ অগ্রাধিকারে অ-রুচি। কুরআনবিহীন সমাজ ব্যবস্থায় পাচ্ছে কি তারা নিজেদের কাঙ্ক্ষিত সম-অধিকার? এমন সমাজের মেয়েরা কতটুকু সুখে আছে নিজের স্বামী সংসার নিয়ে? পারছে কি তারা সাংসারিক হতে?. অস্তিত্ব হারাচ্ছেনা তো তাদের সংসার গুলো? এমনই প্রশ্নগুলোর সাথে আরো অনেক প্রশ্ন সংযোজনের উত্তর মিলবে বইটিতে।
SIMILAR BOOKS
