সেই যে সেই ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩-তে মুখ দেখাল। তারপর রোলস রয়েসের গতিতে বাধাবিপত্তি পেরিয়ে বেস্ট সেলার হয়ে গেল। পাঠক পাঠিকারা তো প্রশ্ন করে করে হেদিয়ে যাচ্ছেন, "আহা পরেরটা কবে হবে গা?" তাই এই হয়ে গেল, প্রকাশক আর লেখক চাপ খেয়ে এই বইটিকে প্রথমটির থেকেও উন্নত করার চেষ্টা করবেন, সে আর নতুন কথা কী? তা পাঠক পাঠিকারা, এই যে এতদিন ধরে মইটা ধরে আছেন, তাঁদের ধন্যবাদ দিয়ে-টিয়েই না হয় ছোলা গাছের উপরই বাড়ি বানাই। ভিতের কাজটা তো আপনাদের হাতে। যত পড়বেন, যত চর্চা করবেন, যত উপহার দেবেন, ততই ভিত শক্ত হবে এই ফিসফাস ২-এর।
চার্লস ডিকেন্স
চার্লস ডিকেন্স। চার্লস জন হাফ্যাম ডিকেন্স (ইংরেজি: Charles John Huffam Dickens; জন্ম: ৭ ফেব্রুয়ারি ১৮১২। মৃত্যু : ৯ জুন ১৮৭০। তিনি ছিলেন উনবিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজ ঔপন্যাসিক। তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক হিসেবে মনে করা হয়। ডিকেন্স জীবদ্দশাতেই তার পূর্বসূরি লেখকদের তুলনায় অনেক বেশি জনপ্রিয়তা ও খ্যাতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। মৃত্যুর পরও তার জনপ্রিয়তা অক্ষুন্ন থাকে। তার প্রধান কারণ হচ্ছে, ডিকেন্স ইংরেজি সাহিত্যে প্রবাদপ্রতিম বেশ কয়েকটি উপন্যাস ও চরিত্র সৃষ্টি করেছিলেন। তার অধিকাংশ রচনাই পত্র-পত্রিকায় মাসিক কিস্তিতে প্রকাশিত হত। এই পদ্ধতিতে রচনাপ্রকাশকে জনপ্রিয় করে তােলার পিছনেও ডিকেন্সের কিছু অবদান আছে। অন্যান্য লেখকগণ ধারাবাহিক কিস্তি প্রকাশের আগেই উপন্যাস শেষ করতেন কিন্তু ডিকেন্স কিস্তি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী অধ্যায়গুলাে রচনা করে যেতেন। এই পদ্ধতিতে উপন্যাস রচনার ফলে তার উপন্যাসগুলাের গল্পে একটি বিশেষ ছন্দ দেখা যেত। অধ্যায়গুলাের শেষটুকু হত রহস্যময় যার জন্য পাঠকেরা পরবর্তী কিস্তিটি পড়ার জন্য মুখিয়ে থাকত। তার গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাসগুলােই এতই জনপ্রিয় যে এগুলাে কখনই আউট-অফ-প্রিন্ট হয়ে যায়নি।