প্রেমা বাসায় গিয়ে দরজা বন্ধ করে খুব কাঁদলো বাসায় কারো সাথে সেদিন আর কোনো কথা বললো না কিংবা বলতে ইচ্ছে হলো না। এতো কষ্ট কি প্রেমা কখনো পেয়েছিলো নাকি এই কষ্টই তার পাওনা ছিলো। প্রেমার খুব ইচ্ছে করলো মৃন্ময়কে ফোন করে তার ভালোবাসার কথা জাহির করতে সেই মোতাবেক ফোন হাতেও নিয়েছিলো কিন্তু ফোন হাতে নিয়েও রেখে দিলো সে। হাজারটুকু ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ফোন করতে পারলো না সে মৃন্ময়কে,আর কি কিছু করার আছে তার। মুখ গুজে দিলো বালিশের মাঝে,উফ এই কান্না যে কেনো থামছে না প্রেমা কিছুতেই তা বুঝে উঠতে পারে না। মৃন্ময়ের অন্য কোন পছন্দ অবশ্যই থাকতে পারে তাতে মৃন্ময়ের তো কোন দোষ নেই। এক পাক্ষিক ভালোবাসায় কষ্ট হয় সেটা প্রেমা জানতো সামিয়া বলেছিলো তাকে কিন্তু এতো কষ্ট হবে সেটা প্রেমা বুঝতেই পারে নি।প্রেমা চোখ বুজতেই মৃন্ময়ের মুখ ভেসে উঠলো বার বার। সেদিন তো মৃন্ময় তাকে কদম দিলো,কদম পেয়ে কি খুশিটাই না হয়েছিলো প্রেমা সেটা কি মৃন্ময়ের নজড়ে পরে নি।মৃন্ময় কি লক্ষ্য করে নি হাজার কথা শুনা সত্ত্বেও প্রেমা কেমন বার বার তার সাথে কথা বলতে ছুটে গেছে। প্রেমা বালিশ থেকে মুখ তুলে মৃন্ময়কে পাঠানো সেই ম্যাসেজটা আবার দেখলো,কত ভালোবাসা দিয়ে সে মৃন্ময়কে লিখেছিলো ' আপনিময় অসুখ আমার আজীবন লেগে থাকুক।' প্রেমা আনমনেই হাসলো সত্যি বুঝি এবার মৃন্ময়ের অসুখ প্রেমার আজীবন লেগে থাকবে।