বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার চা বাগান ও লাগােয়া ত্রিপুরার পাহাড় এলাকার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি বিজরিত তেলিয়াপাড়া-সুরমা গ্রামের বাসিন্দা, পার্থ প্রতিম চৌধুরী। গ্রামে আমাকে শংকর চৌধুরী হিসাবে চেনে। পিতা জনদরদী পবিত্র মােহন চৌধুরী। মাতা মায়া রাণী চৌধুরী। স্ত্রী রমা চৌধুরী। মেয়ে মম ও ছেলে পা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। পিতামহ কৃষ্ণকিশাের চৌধুরী জেলার শ্রেষ্ঠ উকিল ও জমিদার ছিলেন। সুরমা প্রাইমারী স্কুলে পড়াশুনা আরম্ভ করে সিলেট এইডেড হাইস্কুলে ১৯৫৮ পর্যন্ত পড়াশুনা। এরপর সিলেট এমসি কলেজ ও ঢাকা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স ১৯৬৪ সালে। ১৯৬৫ সালের নভেম্বরে স্যার আশুতােষ কলেজে রসায়ন বিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে যােগদান। দীর্ঘ ২৬ বত্সর অধ্যাপনার পর ১৯৯১ সালে চট্টগ্রামের হাজী মু মহসিন কলেজে বদলী। ২০০১ সালে অবসরের পর বােয়ালখালী জলিল আখিয়া কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন। ২০১৪ সালে পুরােপুরি অবসরে। এখন লেখালেখি ও দেশ ভ্রমণ করে আনন্দ পাই। বিগত ৫৩ বত্সর আমি চট্টগ্রামের বাসিন্দা। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সাবেক গভর্নর ডঃ মােঃ ফরাসউদ্দিন এবং কুমিল্লা বাের্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ডঃ আজিজুর রহমানসহ অনেকে আমার সহপাঠী। প্রথিতযশা প্রায় পঞ্চাশ হাজার ছাত্রের জন্য আমি গর্বিত।
...
বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার চা বাগান ও লাগােয়া ত্রিপুরার পাহাড় এলাকার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি বিজরিত তেলিয়াপাড়া-সুরমা গ্রামের বাসিন্দা, পার্থ প্রতিম চৌধুরী। গ্রামে আমাকে শংকর চৌধুরী হিসাবে চেনে। পিতা জনদরদী পবিত্র মােহন চৌধুরী। মাতা মায়া রাণী চৌধুরী। স্ত্রী রমা চৌধুরী। মেয়ে মম ও ছেলে পা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। পিতামহ কৃষ্ণকিশাের চৌধুরী জেলার শ্রেষ্ঠ উকিল ও জমিদার ছিলেন। সুরমা প্রাইমারী স্কুলে পড়াশুনা আরম্ভ করে সিলেট এইডেড হাইস্কুলে ১৯৫৮ পর্যন্ত পড়াশুনা। এরপর সিলেট এমসি কলেজ ও ঢাকা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স ১৯৬৪ সালে। ১৯৬৫ সালের নভেম্বরে স্যার আশুতােষ কলেজে রসায়ন বিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে যােগদান। দীর্ঘ ২৬ বত্সর অধ্যাপনার পর ১৯৯১ সালে চট্টগ্রামের হাজী মু মহসিন কলেজে বদলী। ২০০১ সালে অবসরের পর বােয়ালখালী জলিল আখিয়া কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন। ২০১৪ সালে পুরােপুরি অবসরে। এখন লেখালেখি ও দেশ ভ্রমণ করে আনন্দ পাই। বিগত ৫৩ বত্সর আমি চট্টগ্রামের বাসিন্দা। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সাবেক গভর্নর ডঃ মােঃ ফরাসউদ্দিন এবং কুমিল্লা বাের্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ডঃ আজিজুর রহমানসহ অনেকে আমার সহপাঠী। প্রথিতযশা প্রায় পঞ্চাশ হাজার ছাত্রের জন্য আমি গর্বিত।